রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৬

জিয়া

https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B0_%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8?wprov=sfla1

শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৬

আমাদের পাপের কারনেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে বঙ্গোপসাগর

আমাদের পাপের কারণেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে বঙ্গোপসাগর

ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘সাইক্লোন’ গ্রিক শব্দ ‘কাইক্লোস’ থেকে এসেছে। কাইক্লোস শব্দের অর্থ কুন্ডলী পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের উপগ্রহ চিত্র থেকে এমনতর নামকরণের যথার্থতা বোঝা যায়। আর ঘূর্ণিঝড় হলো গ্রীষ্মমন্ডলী ঝড় বা বায়ুমন্ডলীয় একটি উত্তাল অবস্থা যা বাতাসের প্রচন্ড ঘূর্ণায়মান গতির ফলে সংঘটিত হয়। এটি সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের একটি।
যা আমাদের বঙ্গোপসাগরে প্রায় প্রতিবছরই কমবেশি সংগঠিত হয়, বাংলাদেশের উপকূলবাসীর জন্য এটা অনেকটা স্বাভাবিক ঘটনাই বলতে হবে। তবে কোনো ঘূণিঝড় আবার চরম ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে ধ্বংস করে দেয় উপকূলীয় জনপদ। ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝর, ২০০৭ সালের সিডর, ২০০৮ সালের নার্গিস এমনই কয়েকটি ধ্বংসাত্মক ঘূর্ণিঝড়।

কিন্তু আগে যেখানে বছরে একটি বা দুটির বেশি ঘূর্ণিঝড় হতো না। অথচ, এই ২০১৬ সালে এসে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরে কয়েক দিন পরপরই সৃষ্ট হচ্ছে এক একটি ঘূর্ণিঝড়। নভেম্বর মাসের শুরুতে এসে আমরা মোকাবিলা করছি ঘূর্ণিঝড় ‘নাডার তাণ্ডব।

এর আগে গত মে মাসে আঘাত হেনেছিল ‘রোয়ানু’। যদিও শেষ মুহুর্তে এসে গতিপথ বদলিয়ে বার্মা ও আসাম অভিমুখে চলে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’। রোয়ানুর প্রভাব শেষ হতে না হতেই আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘সাত্তার’। আগস্ট মাসে ধেয়ে আসে ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন।

আমাদের বঙ্গোপসাগরে এত ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় কেন হচ্ছে? উত্তর খুবই সহজ, আসলে আমাদের পাপের ফলেই এসব হচ্ছে। আমাদের বেহিসাবি আচরণের কারণে ধ্বংস হচ্ছে সবুজ বন, অন্যদিকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে তোলা কলকারখানা-যানবাহন-ইঞ্জিনের কালো ধুয়া, কার্বন মনো অক্সাইডসহ নানা ক্ষতিকর বায়বীয় উপাদান মিশ্রিত হচ্ছে। ফলে ভারসাম্য হারাচ্ছে প্রকৃতি, নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। আর তারই বদলা হিসেবে প্রকৃতি নিচ্ছে ভয়ঙ্কর রূপ।

এর ফলেই কখনো নিম্নচাপ, কখনো ঘূর্ণিঝড়, কখনো-বা জলোচ্ছ্বাসের মুখোমুখি হচ্ছি আমরা। এসব আসলেই আমাদের প্রকৃতি-পরিবেশ ধ্বংসের পাপের বদলা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে পরিবেশ-জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব নিয়ে ভাবতে হবে এখনই।

মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০১৬

ধর্ম নিরপেক্ষতা

ধর্ম নিরপেক্ষতা বলতে আমরা কি বুঝি?

সেকুলারিজমের বাংলা প্রতিশব্দ হল ধর্মনিরপেক্ষতা। সেকুলার শব্দের অর্থ হচ্ছে ইহলৌকিক, ইহজাগতিক, পার্থিব, পরকালবিমুখ, আখিরাত বিমুখ ইত্যাদি।

আভিধানিক দিক দিয়ে সেকুলারিজম হচ্ছে বৈষয়িকতাবাদ, ইহলৌকিকতাবাদ, ইহজাগতিকতাবাদ।এটি এমন একটি সামাজিক বা রাজনৈতিক দর্শন, যা ধর্মবিশ্বাসকে নাকচ করে দেয়। অন্য কথায় যারা কোন ধর্মের অন্তর্গত নয়, কোনও ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত নয়, কোন ধর্মে বিশ্বাসী নয় এবং পবিত্রতা ও আধ্যাত্বিকতার বিরোধী যারা সেকুলারিজম বা ইহজাগতিকতাকে বিশ্বাস ও লালন করে তারাই সেকু্লার বা ইহজাগতিক।

কিন্তু এর পারিভাষিক অর্থ আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত। পারিভাষিক অর্থে সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ হচ্ছে এমন একটি মতবাদ, চিন্তাধারা ও বিশ্বাস, যা পারলৌকিক ধ্যান ধারণা ও ধর্মের সাথে সম্পর্কহীনভাবে সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলে। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ হলো একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক দর্শন যা সকল ধর্ম বিশ্বাসকে নাকচ করে দেয়।

র্যানডম হাউস অব দ্যা ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ এ সেকুলার বা ধর্ম নিরপেক্ষ এর সংগায় বলা হয়েছে, যা ধর্ম বা আধ্যাত্বিকভাবে পবিত্র বলে বিবেচিত নয়(Not regarded as religious or spiritually sacred); যা ধর্মের সাথে সম্পর্কিত নয় (Not pertaining to connected with religion); যা কোন ধর্ম বিশ্বাসের অন্তর্গত নয় (Not belonging to a religios order). আর ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, এটি হলো একটি রাজনৈতিক বা সামাজিক দর্শন যা সকল ধর্ম বিশ্বাসকে নাকচ করে দেয় (Rejects all forms of religious faith)।

এনসাইক্লোপেডিয়া অব ব্রিটানিকার সংজ্ঞাও অনুরুপ, অর্থাৎ যারা কোন ধর্মের অন্তর্গত নয়, কোন ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত নয় কোন ধর্মে বিশ্বাসী নয় এবং আধ্যাত্বিকতা, জবাবদিহীতা ও পবিত্রতার বিরোধী তাদেরকেই বলা হয় ধর্ম নিরপেক্ষ।

অক্সফোর্ড এডভান্সড লার্নারস ডিকশনারীর মতে, সমাজ, সংগঠন, শিক্ষা প্রভৃতি বিষয়ে ধর্ম সংশ্লিষ্ট হতে পারে না এমন বিশ্বাসই হল ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ (Secularism is the belief that religion should not be involved in the organisation of society, education etc.)।

বাংলাভাষায় Secularism-এর অনুবাদ করা হয়ে থাকে ধর্মনিরপেক্ষতা। এর দ্বার বুঝানো হয়েছে যে, যার ধর্ম তার কাছে, পরধর্ম সহিষ্ঞুতা এর উদ্দেশ্য। আসলে ইসলাম বিদ্বেষীদের দ্বারা মুসলিমরা আজীবন প্রতারিত হয়েছে। এমনকি শুধু বিভিন্ন পরিভাষাকেই পরিবর্তন বা বিকৃত করে তাদেরকে ধোকা দেয়া হয়নি বরং অনেক পরিভাষায় অনুবাদের ক্ষেত্রেও মুসলিমদেরকে ষড়যন্ত্রে ঘূর্ণিপাকে নিক্ষেপ করে উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। Secularism-এর অনুবাদ ধর্মনিরপেক্ষতা হওয়াটাও মূলত এ ধরনের ষড়যন্ত্রের প্রামান্য দলিল।

এখানে 'নির' প্রত্যয় যোগ করা হয়েছে যার অর্থ 'নেই'। অন্য কথায় অপেক্ষা নেই যার। এখানে 'অপেক্ষা' এর যে অর্থগুলো বাংলা একাডেমীর বাংলা অভিধানে স্থান পেয়েছে তন্মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয় ভরসা বা নির্ভরতা। তাহলে ধর্মের উপরে নির্ভরতা না থাকার নামই হচ্ছে পক্ষপাতশূন্য বা উদাসীন। সুতরাং কোন ধর্মের প্রতি পক্ষপাত না করা ও কোন ধর্মের ব্যাপারে উদাসীনতা হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা যা মূলত ধর্মহীনতারই আর এক নাম। সুতরাং ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ যার ধর্ম তার কাছে একথা মোটেও ঠিক নয়। এর অর্থ ধর্মহীনতা বললে মুসলিমরা এটাকে গ্রহণ না করে বরং এর মুখে থুথু নিক্ষেপ করবে সেজন্য অত্যন্ত চালাকী করে চমকদার মোড়কে এমন একটি শব্দ এর জন্য চয়ন করা হয়েছে যাতে কিছুটা হলেও অর্থগত দিক থেকে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। আর এটি এজন্য যে, যাতে মুসলিমদেরকে অন্ধকারে রেখে বিভ্রান্ত করে তাদের ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক এ ধর্মহীনতাকে গেলানো যায়, এটি তারই একটি সুনিপুণ ষড়যন্ত্র।

নিরপেক্ষতা

নিরপেক্ষতা।

নিরপেক্ষতা শব্দটা কেমন যেন অবলা অবলা মনে হয়। যেন বিচার বুদ্ধিহীন বালকের নির্লিপ্ত অবাক চোখে নির্বাক চেয়ে থাকার মতো। যার মাঝে কোনো বিবেকের অস্তিত্ব নেই যে যা দ্বারা সে কিছু বিচার করবে।
আসলে আমি ভেবে পাইনা একজন সুস্থ বিবেক সম্পন্য মানুষ কিভাবে নিরপেক্ষ হয়?
নিরপেক্ষতা শব্দটা আসলে পশু সমাজের জন্য সঠিক। মানুষ যখন যুদ্ধে লিপ্ত হয় তখন পশুরা নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে সেটা উপভোগ করে নির্বাক চোখে।

বর্তমান সমাজে আমাদের নিরপেক্ষ মনোভাব দেখে শরৎচন্দ্রের সেই বিখ্যাত উক্তিটি মনে পরে " আমাদের কাপুরশতা দেখলে মনে হয় নারায়ন করতিপক্ষের ও লজ্জা বোধ হবে"

আসলে নিরপেক্ষতা বাদীরা হলো হাদীসে উল্লেখিত বান ডাকা ছাগীর মত যে যখন যেখানে সুবিধা পায় সেখানে ছুটে বেড়ায়। তারা সুবিধার জন্য নিজের ব্যক্তিত্ত পর্যন্ত বিসর্জন দেয় অবলিলায়।

নিরপেক্ষতাবাদীরা আসলে পুরুষ অ না নারী অ না তারা মনুষ্য সমাজের বাহিরে মনুষ্য সদৃশ এক অবলা পশুর জাতি। তারা লালিত পালিত হতে থাকে ক্ষমতা ধরদের ইচ্ছামতো.........।

ন্যায় ও আন্যায়ের মাঝে তারা এক ভয়ংকর বিপদ যা উভয়ের জন্যই বিপদজনক। তাই তারা মরিচের মতো সকলের জাতাকলে পিষ্ট হয় তাদের নিরলিপ্ততার ফল সরুপ। নিজের মান মর্যাদা সতীত্ব কে তারা বিক্রি করে দেয় বিজয়ী শক্তির পদতলে। তাদের নিজের অধিকার বেছে নেয়ার মতো অধিকার ও তারা পায়না।

তারা শুধুমাত্র নিজের মন্দ ভাগ্যের জন্য অন্যকে গালি দিতে পারে নিজের ভাগ্যটা একটু ঝুকি নিয়ে পরিবর্তন করতে রাজি নয়।

আরে ভাই নিরপেক্ষ বাদীরা দুনিইয়া কি পোলার হাতের মোয়া পাইছেন..............................
হয় আস্তিক হন নাইলে নাস্তিক হন মুনাফিক হইয়েন না........................
তাইলে দুনিয়াতেও জায়গা নাই খাইবেন ইস্লাম্পন্থিরগো মাইর আর গাইলাইবেন জংগী কইয়া
আর খাইবেন নাস্তিকগো মাইর খাইয়া কইবেন থাক কতা কঅনের দরকার নাইক্কা কইলে মামু আরো বড়ো বাশ দিবো , আমার মতো আমি থাকি দুনিয়া জায় জাক রসাতলে.................................

শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬

হালাল হলেই কী ইসলামিক?

[হালাল হলেই কি ইসলামিক হবে? ইসলামী নৈতিক চেতনার গুরুত্ব | সিএসসিএস] is good,have a look at it! http://cscsbd.com/1221

অক্টোবরের আটাশ তারিখ
মোশাররফ হোসেন খান
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন,
জাতির বুকে তুফান জাগা স্মৃতি অমলিন॥
হায়েনাদের বৈঠা-লাঠি
কাঁপিয়ে গেল দেশের মাটি
জাতির জন্য নর-ঘাতক বড়ই অর্বাচিন।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন॥
সন্তান হারার আহাজারি
আকাশ-বাতাস করছে ভারী
মায়ের বুকে শোকের নহর কষ্ট সীমাহীন।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন॥
আমার ভাইকে মারলো যারা
দেশ-জনতার শত্র“ তারা
শহীদ হলো যেসব ভাই শুধবো তাদের ঋণ।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন॥
এই জনতা জাগলে আবার
ভয় কি আছে দেশ হারাবার?
রক্ত-সাগর টপকে তারা আনবে সুখের চিন।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন ॥ মোশাররফ হোসেন খানের কবিতা
অক্টোবরের আটাশ তারিখ
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন,
জাতির বুকে তুফান জাগা স্মৃতি অমলিন॥
হায়েনাদের বৈঠা-লাঠি
কাঁপিয়ে গেল দেশের মাটি
জাতির জন্য নর-ঘাতক বড়ই অর্বাচিন।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন॥
সন্তান হারার আহাজারি
আকাশ-বাতাস করছে ভারী
মায়ের বুকে শোকের নহর কষ্ট সীমাহীন।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন॥
আমার ভাইকে মারলো যারা
দেশ-জনতার শত্র“ তারা
শহীদ হলো যেসব ভাই শুধবো তাদের ঋণ।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন॥
এই জনতা জাগলে আবার
ভয় কি আছে দেশ হারাবার?
রক্ত-সাগর টপকে তারা আনবে সুখের চিন।
অক্টোবরের আটাশ তারিখ রক্ত ঝরার দিন ॥

রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৬

পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র ও টেকনিক

বিজ্ঞান ও ইংরেজীর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই লিংক

এই সূত্র ও টেকনিক বাংলা বই গুলো আশা করি সব ছাত্র দের কাজে লাগবে …।বই গুলো যে কি দরকারি তা শুধু ওপেন করে দেখুন …তাহলেই বুঝে যাবেন……! আপনার কাজে না লাগলেও…. আপনার বন্ধু অথবা ছোট ভাইয়ের ১০০% কাজে লাগবে…! যারা টিউশনি করেন তাদের জন্য তো আরও বেশি লাগবে…।
কিছু মেগাবাইট খরচ করে নামিয়ে ফেলুন …। আর দেখুন কি কাজের বই দিলাম.। এই বই গুলো -ইউনিকোড টেক্সট ফরম্যাটে(স্ক্যান করা না) যা খুব সহজে Mobile ও Computer পড়তে পারবেন………
এইচএসসি ও অর্নাস শিক্ষার্থীদের জন্যঃ-

বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যঃ
জ্যামিতির সব সূত্র ও টেকনিকঃ

*Geometry Equation -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf

Download link:
http://www.mediafire.com/?if2h2382h1377sv

পদার্থ বিজ্ঞানের সব সূত্র ও টেকনিকঃ
*Physics 2nd Paper -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?uqcodcq8x6emyl9

ত্রিকোণমিতির সব সূত্র ও টেকনিকঃ
Trigonometry Equation.pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?pcew3bn51izcber

ব্যবসায় শিক্ষার ছাত্রদের জন্য সব সূত্র ও টেকনিকঃ

*Accounting -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?ddhl68g49o3d34q
অথবা
http://www.mediafire.com/?hbauaucoc611aix

*Management -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?0mf6fn6ce1hryvj

এসএসসি বীজগণিত এর সব সূত্র
Algebra Equation.pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?agzqxlkknzu7lqo

Math.pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?5gptn5pcr03fnla

জি আর ই GRE এর সব এমসিকিউ টেষ্টঃ
GRE_math.zip
Download link:
http://www.mediafire.com/?u7vy13x2xhf9el4

এই বই গুলো আপনাদের ডিজিটাল জীবন কে আরও সহজ করে দিবে আশা করি।আমার পরিশ্রম আপনাদের বিন্দুমাত্র কাজে লাগলেও আমি স্বার্থক।