ছড়ায় ছড়ায় পর্যায় সারনী শিখি
.
Group 1(A) এর মৌল
“হায় লি না কে রুবি সাজিয়ে
ফিরছে”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
H Li Na K Rb Cs Fr
H =Hydrogen(হাইড্রোজেন )
Li = Lithium(লিথিয়াম)
Na =Sodium(সোডিয়াম)
K = Potassium(পটাশিয়াম )
Rb = Rubidium(রুবিডিয়াম)
Cs =Caesium(সিজিয়াম)
Fr = Francium(ফ্রান্সিয়াম)
.
Group 2(A) এর মৌল
“বিরানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে
বাটিতে রাখ”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
Be Mg Ca Sr Ba Ra
Be =Beryllium (বেরিলিয়াম)
Mg =Magnesium (ম্যাগনেসিয়াম)
Ca =Calcium(ক্যালসিয়াম)
Sr =Stronsium(স্ট্রানসিয়াম)
Ba =Barium(বেরিয়াম)
Ra =Radium(রেডিয়াম)
.
Group 3(A) এর মৌল
“বোরন আলীর গোলায় ইন্দুর থাকে”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
B Al Ga In Tl
B =Born (বোর্নিয়ো)
Al =Aluminium (অ্যালুমিনিয়াম)
Ga =Gallium (গ্যালিয়াম)
In =Indium (ইন্ডিয়াম)
Tl =Thallium (থেলিয়াম)
.
Group 4(A) এর মৌল
কারটি সিরিয়া গেলে টিন পাবে ”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
C Si Ge Sn Pb
C =Carbon (কার্বন)
Si =Silicon (সিলিকন)
Ge =Germanium (জামিনিয়াম)
Sn =Tin (টিন)
Pb =Lead (লেড বা সিসা)
.
Group 5(A) এর মৌল
"নারায়ন পুরে আর্সেনিক সবচেয়ে
বেশী"
যেই মৌলগুলো indicate করে=
N P As Sb Bi
N =Nitrogen (নাইট্রোজেন)
P =Phosphorus (ফসফরাস)
As =A arsenic (আর্সেনিক)
Sb =Antimony (এন্টিমনি)
Bi =Bismath (বিসমাথ)
.
Group 6(A) এর মৌল
“ও এস এসসি তে পড়ে”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
O S Se Te Po
O =Oxygen (অক্সিজেন)
S =Sulfur (সালফার)
Se =Selenium (সেলেনিয়াম)
Te =Tellurium ( টেলুরিয়াম)
Po = Polonlum (পোলেনিয়াম)
.
Group 7(A) এর মৌল
“ ফ্লোর কলনীর বাসায় আন্টি আছে”
যেই
মৌলগুলো indicate করে=
F Cl Br I At
F =Florin (ফ্লোরিন)
Cl =Chlorine (ক্লোরিন )
Br =Bromine ( ব্রোমিন
I =Iodine (আয়োডিন)
At =Astatine (অ্যাস্টেটাইন)
.
Group 8(A) এর মৌল
“হেনা ( He Ne) আর করিম যাবে রমনায়”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
He Ne Ar Kr Xe Rn
He =Helium (হিলিয়াম)
Ne =Neon (নিয়ন)
Ar =Argon (আর্গন)
Kr =Krypton (ক্রিপ্টন)
Xe =Xanon (জেনন)
Rn =Radon (রাডন)
.
পারমানবিক সংখ্যা 21-30 এর মৌল
“ শাহরুখ টাইটানিকে ভেসে কাল
মনিষকে ফেলে ফেলে কোয়েলকে
নিয়ে
কুয়াকাটা যাবে”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
Sc Ti V Cr Mn Fe Co Ni Cu Zn
Sc =Scandium (স্ক্যানডিয়াম)
Ti = Titanium (টিটেনিয়াম)
V =Vanadium (ভ্যানাডিয়াম)
Cr =Chromium (ক্রোমিয়াম)
Mn =Manganese (ম্যাঙ্গানিজ)
Fe =Iron (লোহা বা আয়রন)
Co =Cobalt (কোবাল্ট)
Ni =Nickel (নিকেল)
Cu =Copper (কপার)
Zn =Zinc (জিংক)
.
পারমানবিক সংখ্যা 39-48এর মৌল
“ ইতি ও জেরিন নাইরোবিতে
মোবাইল
সহ রুথের. রোড দিয়ে পালাবার সময়
কাঁদছিল ”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
Y Zr Nb Mo Tc Ru Rh Pd Ag Cd
Y =Yttrium (ইট্রিয়াম)
Zr =Zirconium (জিরকোনিয়াম)
Nb =Niobium (নিওবিয়াম)
Mo =Molybdenum (মলিবডেনাম)
Tc =Technitium (টেকনেসিয়াম)
Ru =Ruthenium(রুথেনিয়াম)
Rh =Rhodium( রোডিয়াম)
Pd =Palladium (প্যালাডিয়াম)
Ag =Silver(সিলভার)
Cd =Cadmium (ক্যাডমিয়াম)
.
পারমানবিক সংখ্যা 57-80এর মৌল
"লাকি ও হানিফ টাইজানিকে করে
ওয়াবিতে এসে ইউরোপে প্লাটিনাম
ও
গোল্ড "
যেই মৌলগুলো indicate করে=
La Hf Ta W Re Os Ir Pt Au AG Hg
La (57-71) =Lanthanum (ল্যানথানাইড
সিরিজ)
Hf =Hafnium ( হাফনিয়াম)
Ta =Tantalum ( ট্যান্টালুম)
W =Tungsten ( টাংস্টেন)
Re =Rhenium (রেনিয়াম)
Os =Osmium (অসমিয়াম)
Ir =Eridium ( ইরিডিয়াম)
Pt =Platinum ( প্লাটিনাম)
Au =Gold (গোল্ড)
Hg =Mercury ( পারদ বা মাকারি)
.
পারমানবিক সংখ্যা 89-112এর মৌল
“আখির ছেলে রাফি ডুবাই সাগরে
ভেসে
হাফেজ আর মতিকে দেশে রেগে
চিনেছে”
যেই মৌলগুলো indicate করে=
Ac Rf Db Sg Bh Hs Mt Ds Rg Cn
Ac =Actinium
(অ্যাকটিনাইড সিরিজ )
Rf =Rutherfordium
(রাদারফোর্ডিয়াম)
Db =Dubnium(ডুবনিয়াম)
Sg =Seoborgium(সিওবোগিয়াম)
Bh =Bohrium(বোহরিয়াম)
Hs = Hassium(হ্যাসিয়াম )
Mt =Metnerium(মিটনেরিয়াম)
Ds =Damstadium(ডামস্টেডিয়াম)
Rg =Roentgenium(রন্টজেনিয়াম)
Cn=Copemicium(কপারনিসিয়াম)
সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৭
পর্যায় সারনী সহজে মনে রাখার উপায়
শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭
অলোক বিজ্ঞান :প্রোটন ও ফোটন
“আলো আমার আলো ওগো আলোয় ভুবন ভরা”
আমাদের এই দুনিয়াতে যাই দেখি না কেন তাই কোনো না কোনো রঙের(না রঙিন চশমা দিয়ে রঙিন দেখার কথা বলছি না, খালি চোখে দেখা সাভাবিক রঙিন দুনিয়ার কথা বলছি) । প্রকৃতির কত কিছুর সুন্দর্য আপনাকে মুহিত করে। ময়ুরের পেখমের সুন্দর্য, বিচিত্র রঙের প্রজাপতির সৌদর্য, ফুলের সৌদন্র্য, সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য আরো কত কি! ঐসব সৌন্দর্যের মূল ভিত্তি হলো ওগুলোর রং। কিন্তু এই রং বলতে কিছুই থাকত না যদি না আলো ওই রংগুলো তৈরী করত। আমরা বিভিন্ন বস্তু বিভিন্ন রঙের দেখি তার কারণ বিভিন্ন বস্তু থেকে বিভিন্ন রঙের আলো প্রতিপলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। কোনো বস্তুকে আমরা লাল রঙের দেখি কারণ ওই বস্তু শুধু লাল রঙের এল প্রতিপলিত করে বাকি সব রঙের আলো গুলো শুষণ করে নেয়। যেই রঙের বস্তু দেখি না কেন তার মানে হলো বস্তুত ওই রঙের আলো শুষণ করে না, বাকি সব রঙের আলো শুষণ করে। যখন আমরা কোনো সাদা বস্তু দেখি তার মানে হলো ওই বস্তু কোনো রঙের আলো শুষণ করে না, সব রঙের আলো প্রতিফলিত করে দেয়। সব রঙের আলোর সমষ্টি হলো সাধা রং। আবার কালো রঙের বস্তু দেখি কারণ ওই বস্তু আলোর সব রং শুষণ করে নেয়। আলোহীন দুনিয়া মানে হবে একটা বর্ণহীন দুনিয়া। সেই দুনিয়া কেমন হতে পারত তা কল্পনা করাও কঠিন।
আলো photon নামক particle দিয়ে তৈরী। এই ফোটন বিভিন্নভাবে তৈরী হতে পারে। প্রতিটা পরমানু তে আছে electron, proton and neutron । proton ও neutron মিলে তৈরী করে পরমানুর nucleus । এই nucleus কে কেন্দ্র করে electron একটা কক্ষপথে ঘুরতে থাকে যেমন সূর্য কে কেন্দ্র করে সব গ্রহগুলো ঘুরে ঠিক তেমনি। তবে ইলেক্ট্রন এর ঘুরার কক্ষপথ সব সময় একই থাকে না। কোনো শক্তির পাইলে ইলেক্ট্রন তার কক্ষপথ থেকে উপরে উটে যায়। আবার পরে তার নিজ কক্ষপথে চলে যায়। যখন তার কক্ষপথ down হয় তখন কিছু এনার্জি ছেড়ে দেয় আর এই energy হলো photon কনা। তবে সূর্যে nuclear fusion এর মাধ্যমে ফোটন তৈরী হয়।
সূর্য থেকে অন্যভাবে photon কনা তৈরী হয়। সূর্য থেকে Nuclear Fusion এর মাধ্যমে photon কনা বা আলো তৈরী হয়। Nuclear Fusion সব ধরনের পরমানু দিয়ে হতে পারে। Hydrogen পরমানু খুব সরল পরমানু আর সূর্যে মূলত hydrogen পরমানু থেকে photon কনা তৈরী হয়। Hydrogen পরমানু তে একটা proton ও একটা electron থাকে। সূর্যের অভ্ভন্তরীণ প্রচন্ড চাপ (পৃথিবীর চাইতে ১০০ বিলিয়ন গুন) ও তাপে (15 মিলিয়ন ডিগ্রী Celsius) electron টি পরমানু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, থাকে শুধু প্রোটন। একটা প্রোটনের শুধু positive charge আছে। দুইটা চুক্বকের postive এর সাথে positive ও negative এর সাথে negative যেমন বিকর্ষণ করে তেমনি দুই positive charge যুক্ত প্রোটন ও একে অন্যের সাথে বিকর্ষণ মূলক আচরণ করে। কিন্তু সূর্যের অভ্ভন্তরের প্রচন্ড শক্তির কারণে দুইটা প্রোটন জোড়া লাগতে বাধ্য হয় কিন্তু তখন তাদের মধ্যে একটি প্রোটন নিউট্রন এ পরিবর্তিত হয়ে যায়। এই পরিবর্তনে কিছু ভর শক্তিতে বা ফোটন কনায় রূপান্তর হয়ে যায়। এটা সূর্য থেকে ফোটন কনা তৈরী হবার প্রথম স্তর।
কিন্তু আসলে দুইটা প্রোটন যখন মিলে যায় তখন শুধু একটা প্রোটন নিউট্রন এ পরিবর্তনের মাধ্যমে তার সমাপ্তি ঘটে না। আরো অতিরিক্ত দুটি কনা তৈরী করে। একটা হলো positron ও আরেকটা হলো নিউট্রিনো কনা। এই নিউট্রিনো কনা হলো একটা ভুতুরে কনা কিন্তু সেদিকে আমরা যাব না। positron কনা হলো নিউট্রন এর আন্টি-ম্যাটার অর্থাধ এই positron এর ভর ও spin নিউট্রন কনার মত কিন্তু বিপরীত চার্জের। আগেই বলেছি যে সূর্যের অভ্ভন্তরের প্রচন্ড তাপ ও চাপে হাইড্রোজেন পরমানু থেকে নিউট্রন সিটকে পরে কিন্তু তা একটা স্তরে এসে জমা হয় যেটাকে বলে প্লাসমা স্তর। positron প্লাসমা স্তরে গিয়ে নিউট্রন কে ধংশ করে তৈরী করে আরো ফোটন।
দুইটা প্রোটন কনা মিলিত হবার পর যখন একটা প্রোটন কনা নিউট্রন হয়ে যায় তখন একটা নতুন nucleus তৈরী হয় যাকে বলে deuterium (d)। এই deuterium আবার হাইড্রোজেন প্রোটনের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে এবং জোড়া লেগে যায় আর তৈরী করে আরো নতুন কিছু ফোটন এবং তৈরী হয় helium-3 পরমানু। না এখানেই শেষ নয়। তারপর এই helium-3 এর সাথে helium-3 এর সংঘর্ষ হয় আর তাতে দুইটা প্রোটন মুক্ত হয়ে যায় এবং তৈরী করে হীলিয়াম্-৪। আর মুক্ত দুইটা প্রোটন আবার হাইড্রোজেন পরমানু তে চলে যায় এবং পরে আবার এই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটে। এই প্রক্রিয়া কে বলা হয় “proton–proton chain reaction”। সূর্যে আলো তৈরী হবার সাথে সাথে আমরা তা পেয়ে যাই না। সূর্যের অভ্ভন্তরে সৃষ্ট আলো বিভিন্ন শক্তির কারণে বাহিরে আসতে প্রায় ১ কোটি বছরের মত সময় লাগে। আমরা এই মুহুর্তে যে আলো টা পাচ্ছি তা ১ কোটি বছর আগে তৈরী হয়েছে।
আলো তরঙ্গ ও কনা উভয় ধর্মী। তার মানে আলো কখনো তরঙ্গের ন্যায় চলে আবার কখনো কনার আকারে চলে। আলো কেমনে তরঙ্গ ও কনা উভয় ধর্মী হতে পারে তা বাজার জন্য সহজ একটা উদাহরণ দেই। একটা পানির বোতল এ পানি নিয়া বেশি পরিমান পানি ঢালতে থাকুন। এবার আসতে আসতে পানি ঢালার পরিমান কমিয়ে দেন। আসতে আসতে কমাতে থাকলে এক সময় দেখবেন পানি ফুটা ফুটা করে পড়ছে। আলো ও ঠিক এমনিভাবে তরঙ্গ থেকে কনা ধর্মী হয়ে যেতে পারে। আলোর রং মূলত আলোর বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘের কারণে তৈরী হয়। দৃশ্যমান আলোকের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ১ সেন্টিমিটারের ৪০ মিলিয়ন ভাগ থেকে ৮০ মিলিয়ন ভাগের মাঝামাঝি। এর চাইতে ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য গুলোর নাম অতিবেগুনি রশ্মি, রঞ্জন রশ্মি এবং গামা রশ্মি। লাল রঙের আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য হলো ৭০০- ৬৩৫ নানোমিটার।
আলোর গতি প্রতি সেকন্ডে ১৮৬০০০ মাইল যদি আলো কোনো মাধ্যম দিয়া না যায়। যদি মাধ্যম দিয়া যায় তাহলে সেই মাধ্যমের প্রতিসারাংক অনুপাতে বেগটি কমে যাবে। পানির প্রতিসারাংক ১.৩৩ আর তাই পানিতে আলোর বেগ হলো ১৮৬০০০/১.৩৩। আইনস্টাইন এর theory or relativity অনুযায়ী আলোর বেগ হলো মহা বিশ্বের সর্বুচ্চ বেগ।ভর বিশিষ্ট কোনো কিছুই আলোর বেগের চেয়ে বেশি বেগে যেতে পারবে না। ভর বিশিষ্ট কোনো কিছু যদি আলোর বেগ পেতে চায় তাহলে তার অসীম শক্তি দরকার। এই মহা বিশ্বে আলোর বেগ কে যে অতিক্রম করা যাবে না তা অনেক পরীক্ষা ধারা প্রমানিত হয়েছে।১৯৬৮ সালে Switzerland এর CERN labrotory তে নিউট্রাল পাযোনার নাম এক ধরনের কনা তৈরী করা হয়েছিল যার গতিবেগ হলো আলোর গতির ৯৯ ভাগ। এই কনা থেকে দুটি আলোর কনা বের হয় আলোর গতিতে। নিউট্রাল পাযোনার ৯৯ ভাগ আলোর গতির সাথে আলোর গতির নতুন কণাগুলো কিন্তু আলোর গতিবেগ অতিক্রম করতে পারে নাই। আপনি যদি আলোর গতির কাছাকাছি গতিতে কোনো ট্রেন এ ভ্রমন করেন আর ভ্রমন কালীন সময়ে কোনো বল যদি সামনে ছুড়ে মারেন তাহলেও ওই বলের গতি আলোর গতি কে অতিক্রম করবে না। একটা রকেট যদি আলোর গতির কাছাকাছি গতিতে চলা অবস্তায় ওই রকেট থেকে যদি আলো জালানো হয় তাহলেও ওই জালানো আলো ও আলোর গতিকে অতিক্রম করতে পারবে না। আরেকটা কথা আলোর গতি কিন্তু শূন্য শানে সব সময় এখই থাকে। আপনি যদি আলোর তরঙ্গের দিকে রকেট এ ঘন্টায় ৩০০০০ killometer বেগে যান তাহলে ও আপনার রকেট থেকে আলোর গতি হবে ১৮৬০০০ মাইল। এই গতি থাকবে যদি আপনি আলোর তরঙ্গের উল্টা দিকে ও যান।
যখন ভর বিশিষ্ট কোনো কিছু পাশ দিয়া যায় তখন আলোর গতি কিছুটা হলেও ধীর হয়ে যায়। পৃথিবীর চারিদিকে ঘুর্নীয়মান জিপিএস ও satelitte গুলোর ঘড়ি পৃথিবীর ঘড়ির চাইতে কিছুটা দ্রুত থাকে।আবার ভর বিশিষ্ট কোনো কিছু আলোর পথ বাকিয়ে দিতে পারে। কোনো তারার আলো যখন সূর্যের পাশ দিয়ে পৃতিবীতে আসে তখন ওই আলোটা বেকে যায়। এই বেকে যাবার কারণেই আমরা সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্ত দেখতে পাই।
কি হবে যদি কোনো কিছু আলোর গতি অর্জন করতে পারে, যদিও আইনস্টাইন আর theory of relativity অনুসারে কোনো ভর বিশিষ্ট বস্তু কখনো আলোর গতি অর্জন করতে পারবে না। কিন্তু কোনো কিছু যত কাছাকাছি গতি অর্জন করতে পারে তার life time ও একটা অনুপাতে বেড়ে যায়। মহাকাশে শক্তিশালী কসমিক রে যখন বায়ুমন্ডলে আঘাত করে তখন সেখানে মিউওন নাম এক ধরনের কনা তৈরী হয় যার life time মাত্র ২.২ seconds। যার অর্থ পৃথিবীতে বসে আমাদের কখনো মিউওন দেখার কথা না। কিন্তু আশ্চর্যের বেপার হলো যে বিজ্ঞানীরা যখন কোনো পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে যায় তখন তারা এই মিউওন কনার যন্ত্রনায় অস্তির হয়ে যায়। কিন্তু মিউওন কণাগুলো তাহলে কেমনে পৃথিবীতে আসতে পারে?তার কারণ হলো মিউওন কণাগুলো তৈরী হয়েই আলোর কাচা কচি বেগে পৃথিবীতে আসতে শুরু করে আর তাই তার life time বেড়ে যায়। যখন কোনো কিছু গতিশীল হয় তখন তার কাছে সময় ধীর হয়ে যায়। ১৯৭৭ সালে কিছু বিজ্ঞানী প্লেনে পৃথিবীকে কয়েক পাক ঘুরে নেমে এসে দেখলেন যে তাদের ঘড়িতে অতিক্রান্ত সময় পৃথিবীর অতিক্রান্ত সময়ের চেয়ে কম।
আইনস্টাইন এর theory of relavity কে পাশ কাটাইয়া কি অন্য কোনো পদ্ধতিতে মানুষ সময়ের চেয়ে দ্রুত চলতে পারবে? তাত্তিকভাবে যে সব সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে তার মাঝে একটা হলো “worm hole” পদ্ধতি। আমাদের চারপাশে যেসব মসৃন জিনিস দেখতে পাই তা আপাত দৃষ্টিতে মসৃন মনে হলেও অনুবিক্ক্ষণিক যন্ত্র দিয়ে দেখলে তার মাঝে অনেক ছিদ্র দেখা যাবে। যেমন একটা আয়না কে মসৃন মনে হলেও আসলে মসৃন না। এমনকি পরমানুর ও বেশিরভাগ জায়গা ফাকা। তেমনি সময়ের মাঝে ও অরূপ ছিদ্র আছে। কোনো পদ্ধতি ধারা যদি এসব ছিদ্র বড় করা যায় তাহলে ওই ছিদ্র গুলো দিয়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সময়ের গতিতে যাওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু এটা শুধু তাত্তিকভাবে চিন্তা করা হচ্ছে। এটাকে কাজে পরিনত করতে হয়ত অনেক সময় লাগবে।
মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৭
Dialogue about eve -teasing
Tonny : Good morning Toma, how are you?
Toma : Good morning Tonny, I am fine and you?
Tonny : I am also fine. Can you tell me about Eve-teasing?
Toma : yes. It’s a burning question now a day. It is a social curse. It’s also a threat for Bangladesh. Teasing of young tender-hearted girls is creating sharply day by day.
Tonny : Who are the worst sufferers of Eve- teasing?
Toma : Young college going girls and working women are the worst sufferers of eve- teasing.
Tonny : can’t they protest against it?
Toma : No, they belong to the poor family.
Tonny : What do you think , are the causes of eve-teasing?
Toma : Moral degradation, lack of education and influence of satellite telecasting.
Tonny : You are right. But how long will it continue?
Toma : It is high time we stood against it.
Tonny : Of course. It can be stopped by taking pragmatic steps.
Toma : We must create public awareness against it. We must control it at any cost otherwise our women cannot lead a peaceful life.
Tonny : Thank you for providing me important information.
Toma : You are welcome. Good bye.
সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
শিক্ষক, শিক্ষার কৌশল ও স্টুডেন্ট সাইকোলজিো( ১ম অংশ)
শিক্ষা :
আভিধানিক অর্থে- শিক্ষা হচ্ছে, শেখা, অভ্যাস, অধ্যয়ন, জ্ঞানার্জন, চারিত্রোন্নতি। সু-অভ্যাস বা ক্রমাগত অনুশীলন শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ। ল্যাটিন শব্দ Educo থেকে ইংরেজী Education শব্দের উৎপত্তি। Educo শব্দের মূলগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- E = Out; duco = to lead, to draw out বা পরিচালিত করা, বের করা, প্রতিভাত করা। Education এর তাৎপর্য হচ্ছে, মানব মনের সহজাত বৃত্তি বা সম্ভাবনাকে বিকশিত ও পরিচালিত করাই শিক্ষা। এ প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদ রবীন্দ্রনাথ বলেছেন- ইউরোপীয় E (ই) উপসর্গের একটা অর্থ অভাব আর এক অর্থ বর্হিগমতা; Educate শব্দের উৎপত্তিমূলক অর্থ বহির্ণয়ন। এই অর্থ-সূত্রেই তিনি বলেছেন, “আমাদের যে শক্তি আছে তাহারই চরম বিকাশ হইবে, আমরা যা যাহা হইতে পারি, তাহা সম্পূর্ণভাবে হইব- ইহাই শিক্ষার ফল।” মোটকথা, মানুষের অন্তর্নহিত গুণাবলীকে স্ফুরিত, নিগরিত ও নিয়ন্ত্রিত করে জীবনের নানা প্রয়োজেনে তাকে উক্ত গুণগুলো প্রয়োগ করার শক্তি ও নৈপুণ্য দান করাই শিক্ষা।
শিখন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্র:
বিখ্যাত শিক্ষা বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন স্যামুয়েল ব্লুম (Benjamin Samuel Bloom) দীর্ঘ গবেষণা করে ১৯৫৬ সালে শিক্ষার্থীর শিখন প্রক্রিয়াকে তিনটি ক্ষেত্রে (Domain) ভাগ করেছেন :
১. বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্র (Cognitive Domain)
২. আবেগীয় ক্ষেত্র (Affective Domain)
৩. মনোপেশিজ ক্ষেত্র (Psychomotor Domain)
৪. বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্র (Cognitive Domain): মস্তিস্কই আমাদের বুদ্ধিভিত্তিক ক্ষেত্র। মানুষ কোন বই পুস্তক, পত্র-পত্রিকা পড়ে সিনেমা নাটক দেখে কোন অনুষ্ঠান বা আলোচনা শুনে নিজের মধ্যে যে জ্ঞানমূলক দক্ষতা তৈরি করে তাকে বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্র বা চিন্তন দক্ষতার ক্ষেত্র বলে। এ ক্ষেত্রের বিভিন্ন স্তর রয়েছে -
মূল্যায়ন
সংশ্লেষণ
বিশ্লেষণ
প্রয়োগ
অনুবাধন
জ্ঞান
৫. আবেগীয় ক্ষেত্র (Affective Domain): শিক্ষার্থীর আবেগেরে বিভিন্ন দিক ধীরে ধীরে গড়ে উঠে।
যেমন-
আত্মস্থকরণ (Internalizing)
মূল্যবোধ সংগঠন (Organizing)
মূল্যবোধ বিচারকরণ (Valuing)
সাড়া প্রদান (Respond)
গ্রহণ (Receiving)
৬. মনোপেশিজ ক্ষেত্র (Psychomotor Domain) : এ ক্ষেত্রে মন এবং পেশির সমন্বয় করে শিক্ষার্থী কোন বিষয় হাতে কলমে শিখে। সকল ব্যবহারিক এবং ট্রেড জাতীয় বিষয এ শিখন ক্ষেত্রের আওতাভুক্ত। এ শিখন প্রক্রিয়াটি শিক্ষার্থীরা ধাপে ধাপে শিখে। নিম্নের চিত্রটি লক্ষ্য করি-
স্বাভাবিকীকরণ (Naturalization)
শিল্পিতকরণ (Articulation)
যথার্থকরণ (Precision)
নিপুণতার সাথে কার্যসাধন (Manipulation)
অনুকরণ (Imitation)
শিক্ষা বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন স্যামুয়েল ব্লুম দেখিয়েছেন, শিখন প্রক্রিয়াটি যে ক্ষেত্রেই ঘটুক না কেন, তা ধাপে ধাপে বা স্তরে স্তরে সম্পাদিত হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন শিক্ষাবিজ্ঞানী এ বিষয় আরও গবেষণা করে নতুন ধারনা প্রদান করেন।
নিম্নের চিত্রটি লক্ষ্য করি -
শিক্ষক ও নেতৃত্ব:
The fifth discipline’ বইয়ে একটা উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, “Leader as teacher’ is not about ‘teaching’ people how to achieve their vision. It is about fostering learning, for everyone. Such leaders help people throughout the organization develop systematic understanding.” একজন শিক্ষক যখন কেবল মাত্র শিক্ষক তখন কেবলমাত্র পঠন-পাঠন কার্যক্রম পরিচালনা, মূল্যায়ন ও প্রশাসনিক নিয়মিত দায়িত্ব পালনই এ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু একজন শিক্ষক যখন নেতা, অর্থাৎ নেতৃত্বের গুণাবলির ছোঁয়া তার ভেতর থাকে তখন শিক্ষক হিসেবে তিনি নিজেকে দাঁড় করাতে পারেন একজন অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে।কাজেই শিক্ষককে তার শিক্ষণ-শিখন দক্ষতার সাথে নেতৃত্বের গুণাবলীও রপ্ত করা চাই।প্রথমত, একজন শিক্ষককে বর্তমানের প্রচলিত জ্ঞান সম্পর্কে নিজেকে হালনাগাদ রাখতে হবে। একজন শিক্ষক তখনই একজন স্বার্থক শিক্ষক যখন তিনি একজন ““life-long learner’. শিক্ষকের জ্ঞান সম্পর্কে পিপাসা, সৃজনশীল মনোভাব এবং সময়ের সাথে শিক্ষকতার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে নিজেকে পরিবর্তন করে চলা শিক্ষককে এগিয়ে নিয়ে যায় আরও অনেকখানি ধাপ উপরে। আর সেখানেই একজন শিক্ষক প্রকৃত অর্থে নেতা হয়ে উঠতে পারেন।দ্বিতীয়ত হল, যোগাযোগের দক্ষতা। একটা স্বার্থক শিক্ষণ-শিখন পরিবেশ গঠনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষক সঠিক তথ্যটি নির্বাচনের মাধ্যমে সঠিক সময়ে, সঠিক পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে তা শিক্ষার্থীদের সাথে আদান-প্রদান করেন। এক্ষেত্রে শিক্ষকের তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সময়োপযোগী জ্ঞান থাকতে হয়।You cannot learn unless you listen”.
কাজেই শুনতে হবে সহকর্মী থেকে শিক্ষার্থী সকলের কথা।
একজন ভালো শ্রোতা নতুন ধারণা, পদ্ধতি, নীতিমালা গ্রহণে সদা প্রস্তুত থাকেন। একই সাথে নতুন জ্ঞানকে গ্রহণ ও আদান-প্রদান করা, সহকর্মীদের সাথে একটা বিশ্বস্ত সম্পর্ক স্থাপন, রিসোর্স প্রভাইড করা, শিক্ষাক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা, উপস্থাপনের দক্ষতা, শ্রেণীকক্ষে সহযোগী মনোভাব, বিদ্যালয়ে লিডারশিপ ধারণা প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্পষ্ট জ্ঞান, পরিবর্তনশীল মনোভাব, প্রেষণা প্রদান, পরিকল্পনা প্রণয়ন, সাংগঠনিক দক্ষতা, সমন্বয় সাধনের দক্ষতা ইত্যাদিকে শিক্ষার্থীর সামর্থ্য বৃদ্ধিতে শিক্ষকের গুণাবলি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণ একটি দ্বিমুখী প্রক্রিয়া :
শিক্ষাদান ও শিক্ষাগ্রহণ একটি দ্বিমুখী আনন্দময় স্বচ্ছন্দ প্রক্রিয়া। তাই শিখন শিখানো কথাটি দ্বিমুখী অর্থবহন করে। শ্রেণীতে পাঠদানের দু’ রকম পদ্ধতি আছে-
১. শিক্ষক কেন্দ্রিক ২. শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক
শিক্ষককেন্দ্রিক পদ্ধতিতে শিক্ষকের ভূমিকাই মূখ্য, এই পদ্ধতি গতানুগতিক ও বৈচিত্রহীন। এখানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ থাকে না। আর শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীর ভূমিকাই মূখ্য থাকে। শিক্ষকরা যদি উভয় পদ্ধতিতে পাঠদান করেন তবে যে সকল সুফল বয়ে আনবে তা হল -
ক. শিক্ষার্থীকে বিষয়বস্তু অনুধাবনে সক্ষম করে তোলে।
খ. শিক্ষার্থীর মত প্রকাশের অনুভুতিতে নাড়া দেয়।
গ. শিক্ষার্থীর আচরণের সাথে বিষয়বস্তুর একটা তুলনামূলক স্থায়ী সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।
ঘ. মুখস্থ করার প্রবনতা দূর হয় এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটে।
শিখন পদ্ধতি ও কৌশল :
আমাদের জীবনে অনেক শিক্ষকেরই প্রভাব রয়েছে। আমরা এখনও অনেক শিক্ষকের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি ব্যক্তি মানুষটির জন্য নয়, পড়ানোর কৌশলের জন্য, যা আমাদের বিবেকবোধ, আবেগ অনূভূতিতে নাড়া দেয়। সুতরাং শিক্ষকের পেশাগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীর আচরণিক পরিবর্তনে শিক্ষক যে সকল শিখানো পদ্ধতি ও কৌশল অনুসরণ করতে পারেন, পরিবেশ ও শিক্ষার্থীর মান বুঝে তা অবলম্বন করা উচিত, যেমন-
১. বক্তৃতা (Lecture) ২. বক্তৃতা আলোচনা (Lecturette)
৩. স্থান পরিদর্শন (Site Visit) ৪. প্রদর্শন (Demonstration)
৫. শিক্ষামূলক ভ্রমণ ও মাঠ পরিদর্শন (Study tour & Field work)
৬. দলীয় আলোচনা (Group Discussion)
৭. প্যানেল ডিসকাশন (Panal Discussion)
৮. ঘটনা বিশ্লেষণ (Case Study) ৯. ব্রেইম স্টর্মিং (Brain storming)
১০. ভূমিকানয়ন (Role Play) ১১. পাঠ নির্দেশনা (Guided Study)
১২. সিমুলেশন খেলা (Simulation Play)
১৩. প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি (Question-Answer Method)
১৪. সতীর্ত দলভিত্তিক শিখন (Peer Group Learning)
১৫. সমস্যা সমাধান (Problem Solving Learning)
১৬. পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষাদান (Interactive teaching).
অষ্ট্রেলিয়ার ৭০ বছর বয়স্ক একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, Learning just a fun অর্থ্যাৎ শিক্ষণ হচ্ছে একটা মজা। বস্তত: একজন শিক্ষক শিখন- শিখানো পদ্ধতি ও কৌশল অবলম্বন করে শিক্ষাদান পরিবেশটাকে আকর্ষণীয়, আনন্দময় ও মজাদার করে তুলবেন।
শিক্ষকের দায়িত্ব ফ্যাসিলেটেটর (Facilitator), স্যার জন এ্যাডমস শিক্ষককে “মানুষ গড়ার কারিগর” (A Maker of Man) বলেছেন, আবার আধুনিক শিক্ষাবিদরা বলেন- শিক্ষক হচ্ছেন “ÒA Teacher is a Change Maker” অর্থাৎ পরিবর্তনকারী সমাজ ও শিক্ষার্থীর জীবন এবং জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি। তাই ফলপ্রসু শিখন প্রক্রিয়ায় শিক্ষক ফ্যাসিলেটরের (Facilitator) অর্থাৎ সহায়তাকারীর ভূমিকায় অবর্তীণ হয়ে কিছু দায়িত্ব পালন করবেন।
যেমন -
১. সংগঠক ২. উদ্ভাবক ৩. শ্রেণী ব্যবস্থাপক ৪. প্রদর্শক ৫. পরিচালক
৬.. ন্যায় বিচারক ৭. উদ্ধুদ্ধকারী ৮. পরামর্শ দানকারী ৯. অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব ১০. পরিকল্পনাকারী ১১. স্বপ্ন দ্রষ্টা।
একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে জীবনের লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিশ্রমী ও অধ্যবসায়ী হওয়ার উপদেশ দেবেন। জীবনের স্বপ্ন পূরণের কথা তিনি এ ভাবে বলবেন- “Dream is not what you see in sleep, is the think which does not let you sleep